20% OFF

সূর্যাক্ষর, বর্ষ ১, সংখ্যা ১, মে ২০২৪, জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

Original price was: ৳ 250.00.Current price is: ৳ 200.00.

বর্তমানে আমরা খুব দোদুল্যমান সময়ে বসবাস করছি। ইংরেজিতে সেটাকে ট্রানজিশন পিরিয়ড বলে। অর্থাৎ আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক যে অবস্থান ছিল, তা থেকে আমরা একটু সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। এই সময়ে প্রত্যেক জাতিকে ভাঙা গড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এরপর আমরা একটা স্থিতিশীল সময়ে পৌঁছাব হয়তো।

এই সময়ে নৌকার বৈঠা সচেতন ও শক্ত হাতে ধরলে জাতি তার স্বর্ণালি যুগে পৌঁছে। আবার অসচেতনভাবে বৈঠা ধরলে এবং জাতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে না পারলে অন্ধকার যুগে পতিত হয়। এই জায়গায় একটা জাতির দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে দেশের লেখক, কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, রাজনীতিকসহ দেশের সকল পর্যায়ের সূর্য সন্তানরা।

একটা জাতির উন্নয়ন বলতে যদি আমরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক এবং বস্তুগত ক্ষেত্র সহ সকল ক্ষেত্রে উন্নতিকে বোঝায় তাহলে সেই জাতি গঠন করতে প্রকৃত শিক্ষা প্রয়োজন। এই শিক্ষা ছাড়া একটা জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর একটা জাতিকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে তার মনকে আগে জাগানো প্রয়োজন। আর এইখানে শিল্প-সাহিত্যের প্রয়োজনিয়তা চলে আসে।

এখানে আমি প্রমথ চৌধুরীর দৃষ্টিভঙ্গি উল্লেখ করতে চাই। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের মনকে বিশ্বের খবর জানানো, সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের মনকে জাগানো।’

অর্থাৎ শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য মনকে প্রস্তত করতে সাহিত্যের প্রয়োজন। আমরা যদি আরও সহজভাবে বলি তাহলে বিষয়টা এমন, শিক্ষাকে যদি একটা গাড়ি হিসেবে কল্পনা করি তাহলে গাড়ির তেল হলো সাহিত্য। গাড়িকে সামনে নিতে যেমন তেল প্রয়োজন। তেমনি একটা জাতিকে শিক্ষিত করতে হলে সাহিত্য জগতকে শক্তিশালী করতে হবে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “সূর্যাক্ষর, বর্ষ ১, সংখ্যা ১, মে ২০২৪, জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১”

Your email address will not be published. Required fields are marked *