Close Menu
সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    Facebook X (Twitter) Instagram
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    • প্রবন্ধ
    • উপন্যাস
    • গল্প
    • কবিতা ও ছড়া
    • সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণ
    • বই
    • প্রিন্ট ভার্সন
    0 Shopping Cart
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    0 Shopping Cart
    Home » পতাকিনী : তাসরিন ইসলাম রিতু

    পতাকিনী : তাসরিন ইসলাম রিতু

    0
    By সূর্যাক্ষর অ্যাডমিন on June 3, 2024 কবিতা ও ছড়া
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে আছে জেগে আছি নিজেই
    অমাবস্যা আজ তাই চাঁদ ও জেগে নেই,
    ক্ষুধা দিয়ে পেট ভর্তি আছে খাবার দিয়ে নাই
    শীতে কেঁপে জেগে আছি সকালের অপেক্ষায়।
    হঠাৎ শুনি আজানধ্বনি কোথা হতে যেন আসে
    গাছের দোয়েলের ডাকে বুঝি ভোর হয়ে গেছে,
    সামনে থাকা নদীতে নিলাম অজু করে
    আধা ছেঁড়া পুরনো চটে নিলাম নামাজ পড়ে।
    সূর্যমামা জেগে উঠেছে আলো দেখায় মিটিমিটি
    এক হাতে লাঠি এক হাতে বাটি অচিনপথে হাঁটি,
    বয়স হয়েছে ৭০ দেহখানি ক্ষীণকায়
    ভিক্ষাই তাই জীবনবৃত্তি, কাজ আমায় কে দেয়?
    দুমুঠো মুড়িই আজ সকালের খাবার হয়ে উঠবে
    আল্লাহই জানে দুপুরবেলা কপালে কি জুটবে,
    হয়েছে মোটে ১০ টাকা আজকের রোজগার

    ১ প্যাকেট বিস্কুট ছাড়া কিনিনি কোন খাবার।
    একটুখানি চাল পেয়েছি ভাত রাঁধতে হবে
    শুধু ভাত খেয়ে পেট চালাই তরকারি কে দেবে?
    সন্ধ্যা শেষে ঘনিয়ে এলো রাতের আঁধার
    বাঁকা হাসি হাসে চাঁদ , তারার সমাহার,
    দরজা ভাঙা জানালা ভাঙা ফাঁকা মাটির ঘর
    টিন নাই, পাতার ছাউনি আমার মাথার উপর
    সামনে দেখি নদীর ঢেউ আমার দিকে চায়
    এমন সময় আগের কথা মনে পড়ে যায়,
    একদিন আমার সব ছিল ছেলে, মেয়ে, স্বামী

    ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধেই সব হারিয়েছি আমি।
    ছেলে পড়ত ঢা.বি.তে আর মেয়ে পড়ত ডাক্তারি
    ৭ মার্চের ভাষণের পর ফিরল ওরা বাড়ি।
    রাতের বেলা স্বামীরে দেখেছি
    যখনই মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে আসতে,
    ঘরের যত খাবার আছে
    সব দিয়ে দিয়েছি খেতে।
    স্বামীর সাথে ছেলেও যেত দেশমাতা বাঁচাতে
    মেয়ে থাকতো ব্যস্ত মুমূর্ষু যোদ্ধার সেবা করতে।

    এক রাতে জেগে বসে আছি ছেলে-স্বামীর সবুরে
    হঠাৎ শুনি কারা যেন দরজার কড়া নাড়ে,
    দোর খুলে দেখি পাকবাহিনীর নিষ্ঠুরদের দল
    রাইফেলধরে বলে আমারে-‘জয় পাকিস্তান বল’।
    ‘ৎয়বাংলা’ বলতেই আমারে এক ধাক্কা মেরে
    ঘরে ঢুকে মেয়ের কাছে যায় আটকাই কি করে?
    হাসতে থাকে বেয়াদবগুলো সর্বনাশ করে মেয়েটার
    আল্লাহ তোদেও ধ্বংস করবে স্থান পাবি না পালাবার।

    দুঃখের সমাপ্তি নেই, মেয়ের গলা –
    হলো ওদের ছুরির অধিন,
    চোখ বুজলো মেয়েটা
    মা হয়ে কিছুই করতে পারলাম না
    এতকিছুর পরও আমার কান্নার নাহি শেষ
    ফিরল স্বামী সঙ্গে ছেলের রক্তমাখা বেশ ,
    -তোমার ছেলেরে কবরে রেখে আসলাম আমি
    -তোমার মেয়ে চোখ খোলে না, এসে দেখো তুমি।
    এই শুনেই পড়ল মাটিতে বুকের বাঁ পাশ ধরে
    বুঝলাম, আমার জীবনসঙ্গীও গেল আমারে ছেড়ে।

    সেই থেকে নিঃসঙ্গতাই সঙ্গী আর নেই কেউ
    সামনের নদীরে মনে হয় লোহিত সাগরের ঢেউ।
    ভেবো না এই লোহিত সাগর
    ভারত মহাসাগরের অংশ,
    এক সাগর রক্তে ধৌত মাটি
    করতে পারেনি কেউ ধ্বংস।
    এমন পবিত্র ভূমিতেই
    ৫ বার সেজদায় লুটাই
    ধ্বংসের ক্ষমতা আল্লাহরই
    আর কারো নাই।
    বাংলাদেশের লোহিত সাগর দিয়েছে
    ৩০ লাখ মুক্তিযোদ্ধা,
    তাদের জন্যই পেয়েছি আমরা
    লাল-সবুজ ঝাণ্ডা।

    Previous Articleমা : রাকিব বিন শফিক
    Next Article প্রেমের ইতি : মারিয়া আহমেদ ফাতেমা

    এ বিষয়ে আরও লেখা

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    বেওয়ারিশ সম্পর্ক : বিপ্লব হোসেন

    সোনা মোড়ানো নুড়ি পাথর : মুসলেহা সুলতানা

    অভিমানী আমি : নাজমুন নাহার লাডলী

    অনুরক্তি : মো. জয়নুল ইসলাম

    তোমাকে পাওয়ার জন্য হে সফলতা : প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

    দান : আফছানা খানম অথৈ

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    বেওয়ারিশ সম্পর্ক : বিপ্লব হোসেন

    সোনা মোড়ানো নুড়ি পাথর : মুসলেহা সুলতানা

    অভিমানী আমি : নাজমুন নাহার লাডলী

    অনুরক্তি : মো. জয়নুল ইসলাম

    তোমাকে পাওয়ার জন্য হে সফলতা : প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

    দান : আফছানা খানম অথৈ

    রোজা : রুমানা আক্তার রত্না

    মানুষ : নিহাদ হোসাইন

    ভাঙা চুড়ি : নয়ন আলী নাঈম

    স্মৃতির সারথি : ইয়াছিন আরাফাত

    আমাদের সম্পর্কে

    সূর্যাক্ষর বাংলাদেশের একটি উদিয়মান প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার বই প্রকাশের পাশাপাশি আমরা লিটলম্যাগ প্রকাশ করি। লিটলম্যাগের ক্ষেত্রে আমাদের দুটি মাধ্যম আছে। একটি অনলাইন পোর্টাল, আরেকটি ছাপা ম্যাগাজিন।

    যোগাযোগ
    • ঠিকানা: ৭৯/২/বি, ৯ নং লেন, কদমতলা, বাসাবো, ঢাকা-১২১৪
    • মোবাইল: ০১৭৩৭৭২৪০৬৯, ০১৭৮২৩৭৯৮৩৭
    • ইমেইল: ‍surjakkhor@gmail.com
    • ফেইসবুক গ্রুপ: www.facebook.com/groups/surjakkhor
    লেখা আহ্বান

    প্রবন্ধ, ছড়া-কবিতা, গল্প, উপন্যাস, সাহিত্য সমালোচনা, অনুবাদ, ভ্রমণকাহিনি, চলমান ইস্যু নিয়ে আলোচনাসহ যেকোনো ধরনের লেখা পাঠানো যাবে। প্রবন্ধ, গল্প ও উপন্যাসের একেকটা পর্ব কমপক্ষে এক হাজার শব্দের হতে হবে। কবিতায় শব্দ সংখ্যার সীমা নেই। তবে কমপক্ষে ১০/১২ লাইনের হলে ভালো হয়, ছোট হলে ছাপানো হবে না, এমনটা নয়। বড় হলেও চলবে। ই-মেইল: surjakkhor@gmail.com

    কপিরাইট সূর্যাক্ষর প্রকাশনী | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.