অভিমানী আমি
কখনও কখনও বড্ড বেশি
দূর আকাশের তারারা যেমন ঝরে পড়ে অভিমানে
কখনও কখনও দুচোখের কোণ বেয়ে
ঝরে পড়ে মুক্তধারা কপোল বেয়ে
চিবুক ছুঁয়ে গড়িয়ে পড়ে নীরব অভিমানে ।
ছোটো ছোটো অভিমানগুলো একসময় কঠিন পাথরের আবেশে
চাপা পড়ে থাকে বুকের গভীরে বদ্ধ কোঠরে
অভিমান কার ওপরে কিংবা কেন হয় বোঝানো বড়ো মুশকিল।
তাই নিরবেই পড়ে থাকে অন্ধকার গহ্বরে
শোকের মাতম হয়ে নিউরণের গভীরে
ছোটো ছোটো অজুহাতে প্রিয় মানুষের অবহেলায়
যেখানে চাওয়া নেই সেখানে প্রাপ্তির আশা তো বৃথাই ।
তবুও অভিমানী মন থাকে অপেক্ষায়
অভিমানগুলো পেঁজা তুলোর মতো উড়ে যেতে চায়
নীল আকাশের সাদা মেঘের ভেলায়
অজস্র ব্যথাদের আনন্দ মিছিলে
বাকহীন স্রোতা হয়ে পরাধীনতার জিঞ্জির ফেলে।
দেশ, জাতি, সত্ত্বা সব যেন অচেনা
নিজেকে খুঁজি আঁস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত আবর্জনার ভিড়ে
কিংবা নাটাই ছেঁড়া ঘুড়ির মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা গাছের শাখে ।
কথায় কথায় অভিমান বাড়ে
স্বাধীনতা যেন মাড় দেয়া কাপড়ের ভাঁজে
কানে তুলো দিয়ে বসে থাকি অভিমানে
রাজকুমারের যাদুর ছোঁয়ায় ভাঙবে ঘুম হয়তো কোনদিন
পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙবে হয়তো একদিন অভিমানীর ।
সাম্প্রতিক লেখা
অভিমানী আমি : নাজমুন নাহার লাডলী
0
Previous Articleঅনুরক্তি : মো. জয়নুল ইসলাম
Next Article সোনা মোড়ানো নুড়ি পাথর : মুসলেহা সুলতানা
এ বিষয়ে আরও লেখা
Add A Comment

