বাসন্তী উৎসবে মেতে উঠেছে শহর
লাল হলদে নীল রঙে সেজেছে প্রকৃতি,
মুকুলের ঘ্রাণ ছড়াছে ফাল্গুনি বাতাসে।
এক শ্রেণির নারীরাও সেজেছে রং-বেরংয়ের শাড়িতে।
এমন এক মনোমুগ্ধকর ঋতুতেও
যেদিকে তাকাই মনে হয় যেন তার সমস্তটাই ধূসর।
হৃদয় আকাশে ছেয়ে আছে এক নিঃরঙ বিবর্ণ ছায়া!
জানি সমস্ত বিবর্ণতার পিছনে রয়েছে একটি করে গল্প,
যার সবটুকুই বিছেদের আগুনে পুড়ে দগ্ধ !
তা হবেই না কেনো? যখন আমি অগোছালো
আমার অপারগতায় তা দৃঢ় থেকে দৃঢ় হয়ে উঠেছে।
তখন তো বিছেদতো অভিসম্ভাবী।
অথচ গল্পটা এমনো হতে পারত,
আমার যা ছিলো অগোছাল তা নিজের করে
গুছিয়ে নিতে পারতে,
আজ এই বসন্তে ঘরে বসে বসন্ত বন্দি হতে হতো না!
হতো না ফাল্গুনি চাঁদের আলোতে নীরবতার
নির্বাক প্রহরী হয়ে থাকতে।
দুজন মিলে মুকুলের ঘ্রাণময় গোধূলিবেলায়
ছাদে অপেক্ষা করতাম বাসন্তী সন্ধ্যার।
ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা ফিরবে নিড়ে
সন্ধ্যা রানী ময়ূরের ডানায় চেপে আসবে পৃথিবীতে।
আর আমার এঁকে অপরকে জড়িয়ে।

