Close Menu
সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    Facebook X (Twitter) Instagram
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    • প্রবন্ধ
    • উপন্যাস
    • গল্প
    • কবিতা ও ছড়া
    • সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণ
    • বই
    • প্রিন্ট ভার্সন
    0 Shopping Cart
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    0 Shopping Cart
    Home » বাবার পরিবার ও স্বামীর সংসার : রোকসানা আক্তার

    বাবার পরিবার ও স্বামীর সংসার : রোকসানা আক্তার

    0
    By সূর্যাক্ষর অ্যাডমিন on May 31, 2024 প্রবন্ধ
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    জীবন মানেই যুদ্ধ। জীবন মানেই সংগ্রাম, জীবন মানেই শত দুঃখ কষ্ট নিয়ে নারীর টিকে টিকে থাকার অধ্যায়। জাহেলিয়াত যুগের মত এ যুগে নারীরা বোঝা ও অভিশাপ।

    আমার বাবার পরিবারে আমরা ১২ ভাইবোন এর মধ্যে আমি ছিলাম সবার বড় মা-বাবা নিয়ে আমাদের সুখের একটি পরিবার ছিল। বড় বোন হিসেবে ভাই বোনের সেবা যত্ন করা বড় সন্তান হিসেবে সংসারের কাজ কর্ম করা নিজের লেখাপড়া করা। বাবার কাজ ছিল না চোখে কম দেখতেন, সংসারের অভাব অনটন, আমি নিজে টিউশনি কাঁথা সেলাই করতাম।

    হঠাৎ মা-বাবা আমার বিয়ে ঠিক করেন। এদিকে মা-বাবা মিলে মায়ের ভাইয়ের কথায় লোভে পড়ে এক বড়লোক ছেলের প্রস্তাবে রাজি হলেন। আমার আশা ছিল অনেক বড় হবো। টাকার অভাবে কিছু আর হলো না আমি একটি ছেলেকে ভালোবাসতাম অনেক মেধাবী ছিল যোগাযোগ করার সময়টুকই পাইনি।

    এভাবেই চলতে চলতে এক বড় লোক বন্ধবীর সাথে পরিচয় হল তাদের সাথে ছাত্রী সংস্থায় পাঠাগার সম্পাদিকা হিসেবে যোগদান করলাম। জামাতে তারাবি নামাজ পড়তাম। হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি আসল ছোট্ট একটি চিঠি লিখে বান্ধবীর হাতে দিলাম। বললাম, এটা পরে ভালোভাবে পড়ো। চিঠিতে লিখা ছিল, তোমাদের বাড়তি কাপড় থাকলে দিও আমার ছোট ভাইবোনরা গায়ের দেবে। বাবার সংসারের জন্য এত কিছু করেও তারা আমাকে লোভে পড়ে ইন্টার পরীক্ষা দেওয়া মেয়েটাকে রেজাল্ট জানার আগেই বিয়ে দিয়ে দিতে চান। সদস্য কমার জন্য। মেয়েটি কোন উপায় না পেয়ে শুধু প্রভুকে নামাজে বলত তাহাজ্জুদ নামাজে।

    বিয়ে হয়ে গেল। অভাবী পরিবারের জন্য স্বামীকে বলে অনেক লজ্জায় ছোট হয়ে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতেন। ভাইদের কেন বিদেশ নেয়া হলো না। সেই কারণেই মেয়েকে পর ভাবা শুরু করে দিলেন। মনে হয় যেন মেয়েকে বিক্রি করে দিয়েছেন। স্বামীর একটি সন্তান ছিল। মেয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েও বেঁচে ফিরে আসেন।

    কয়েক বছর পর স্বামীর মেয়ের বিয়ে হয়। তারপর থেকেই শুরু হলো স্বামীর আঁকাবাঁকা কথার জ্বালা। এটাই নারীর জীবন। নারীর আবার পরিবার সংসার আছে কিনা আমি জানি না। নারী কোথায় শান্তি পাবে বলতে পারেন কেউ। আর এখন নিজের সন্তানদের সেবা করা, দেখাশোনা করে নিজের যত্ন করার সময় পাওয়া তো অনেক দূরে। সব কিছুর কারণ বড় পরিবার হওয়ার জন্য। একটা মেয়ের জীবন ধ্বংস করা হয়েছে। পরের কারণ একটি মেয়েকে বরের পরিবার না দেখে শুনেই বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়েছে। যাকে বলে মেয়েটিকে সাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই আমি অবশেষে বলতে চাই সবাইকে পরিবার ছোট রাখবেন। বরের পরিবার দেখে শুনেই বিয়ে দিবেন। মেয়ের স্বপ পূরণ করবেন। মেয়েদের সম্মান করবেন। ভালোবাসবেন। তাদের প্রতিভাকে কাজে লাগানোর আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। ধন্যবাদ।

    Previous Articleআমাদেরকে কেন ভালো মানুষ হতে হবে? : শাহীদ লোটাস
    Next Article বৈজ্ঞানিক যাত্রা : মারিয়া আহমেদ ফাতেমা

    এ বিষয়ে আরও লেখা

    বৈজ্ঞানিক যাত্রা : মারিয়া আহমেদ ফাতেমা

    আমাদেরকে কেন ভালো মানুষ হতে হবে? : শাহীদ লোটাস

    স্বপ্ন মানুষকে নতুনভাবে ভাবাতে সাহায্য করে : মুহাম্মদ আল ইমরান

    কবি নজরুলের খাট-সমাচার : হিমাদ্রিশেখর সরকার

    উল্লেখযোগ্য কবিদের খসড়া : দ্বিতীয় দশক : সুলতান সালাহ্উদ্দিন

    আমার দৃষ্টিতে প্রগতিশীলতা : আসিফ খন্দকার

    গৃহ : রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

    নারীর মূল্য: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    মন্ত্রি-অভিষেক : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    রাজবন্দীর জবানবন্দি : কাজী নজরুল ইসলাম

    সাহিত্যে খেলা : প্রমথ চৌধুরী

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    বেওয়ারিশ সম্পর্ক : বিপ্লব হোসেন

    সোনা মোড়ানো নুড়ি পাথর : মুসলেহা সুলতানা

    অভিমানী আমি : নাজমুন নাহার লাডলী

    অনুরক্তি : মো. জয়নুল ইসলাম

    তোমাকে পাওয়ার জন্য হে সফলতা : প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

    দান : আফছানা খানম অথৈ

    রোজা : রুমানা আক্তার রত্না

    মানুষ : নিহাদ হোসাইন

    ভাঙা চুড়ি : নয়ন আলী নাঈম

    স্মৃতির সারথি : ইয়াছিন আরাফাত

    আমাদের সম্পর্কে

    সূর্যাক্ষর বাংলাদেশের একটি উদিয়মান প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার বই প্রকাশের পাশাপাশি আমরা লিটলম্যাগ প্রকাশ করি। লিটলম্যাগের ক্ষেত্রে আমাদের দুটি মাধ্যম আছে। একটি অনলাইন পোর্টাল, আরেকটি ছাপা ম্যাগাজিন।

    যোগাযোগ
    • ঠিকানা: ৭৯/২/বি, ৯ নং লেন, কদমতলা, বাসাবো, ঢাকা-১২১৪
    • মোবাইল: ০১৭৩৭৭২৪০৬৯, ০১৭৮২৩৭৯৮৩৭
    • ইমেইল: ‍surjakkhor@gmail.com
    • ফেইসবুক গ্রুপ: www.facebook.com/groups/surjakkhor
    লেখা আহ্বান

    প্রবন্ধ, ছড়া-কবিতা, গল্প, উপন্যাস, সাহিত্য সমালোচনা, অনুবাদ, ভ্রমণকাহিনি, চলমান ইস্যু নিয়ে আলোচনাসহ যেকোনো ধরনের লেখা পাঠানো যাবে। প্রবন্ধ, গল্প ও উপন্যাসের একেকটা পর্ব কমপক্ষে এক হাজার শব্দের হতে হবে। কবিতায় শব্দ সংখ্যার সীমা নেই। তবে কমপক্ষে ১০/১২ লাইনের হলে ভালো হয়, ছোট হলে ছাপানো হবে না, এমনটা নয়। বড় হলেও চলবে। ই-মেইল: surjakkhor@gmail.com

    কপিরাইট সূর্যাক্ষর প্রকাশনী | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.