তোমার সাথে হুড খোলা রিকশায় চড়ে
ঝুম বরষার অঝোর ধারায় ভিজব বলে..
এক জীবনের সবটুকু বর্ষা জমিয়ে রেখেছিলাম আমি।
অথচ তুমি আমাকে বিনিময়ে ফিরিয়ে দিলে
মরুভূমির রোদদগ্ধ দুপুরের মত খটখটে রুক্ষতা
তাই তো তোমায় নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা আর হল না আমার।
সবুজ মাঠের কিনারা ধরে হেঁটে যেতে যেতে
আমার হাতটা অকাতরে তোমার মুঠোর ভেতর
ভালোবাসার প্রতিশ্রুতিতে করতে চেয়েছিলাম সমর্পণ।
কিন্তু কর্কশ রুষ্ঠতায় মাতাল তুমি ফেললে ছিঁড়ে
সব কোমল প্রেমের নীল কমলগুলো একে একে,
আমারও তাই আর গাঁথা হল না বিনি সুতোর মালাখানি।
দূরের আকাশটাকে এক দৌড়ে গিয়ে ছুঁয়ে ফেলার
খুব একান্ত ছেলেমানুষী ভাবনায় আপ্লুত হয়ে
ছুটে যেতে চেয়েছিলাম দিগন্তহীন কোন মাঠে।
তুমি চারিপাশে দেওয়াল তুলে দিলে আমার
তোমার চাওয়া পাওয়ার আরকে রাখলে ডুবিয়ে রাত্রিদিন,
দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুর সাথে জুঝতে জুঝতে আমি বুঝলাম –
ওই আদিগন্ত নীল আকাশ আমার জন্য না ।

