Close Menu
সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    Facebook X (Twitter) Instagram
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    • প্রবন্ধ
    • উপন্যাস
    • গল্প
    • কবিতা ও ছড়া
    • সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণ
    • বই
    • প্রিন্ট ভার্সন
    0 Shopping Cart
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    0 Shopping Cart
    Home » নবনী : ফরিদা আখতার মায়া

    নবনী : ফরিদা আখতার মায়া

    0
    By সূর্যাক্ষর অ্যাডমিন on May 31, 2024 গল্প
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    রাত ৩.৩০ এ হঠাৎ করে নবনীর ঘুম ভেঙে গেলে আলো না জ্বালিয়েই ডাইনিং টেবিলে রাখা জগ থেকে পানি খাওয়ার জন্য দৌড়ে যায়। কিন্তু পানিটা মুখে দিতেই আঁতকে উঠে, পানিটা নোনতা স্বাদ আর উদ্ভট গন্ধে ভরা। সে গড়গড় করে বমি করে সব ভাসিয়ে ফেলে। আর তখনি আলো জ্বালাবার জন্য হাত বাড়াতেই লোমশ ধবধবে সাদা একটি হাত ওর হাত স্পর্শ করে। হাতটির স্পর্শের শীতলতায় ও ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

    ওর চিৎকারে বাড়ির সবাই জেগে ডাইনিংয়ের দিকে দৌড়ে আসে। ওকে এ অবস্থায় দেখে বাবা পাঁজাকোলা করে ওর বিছানায় শুইয়ে দেয়। কিন্তু ওর জ্ঞান ফেরার নাম নেই। দাদি দোয়া-দরুদ পড়ে ফুঁ দিলে এক সময় চোখ মেলে তাকায়।

    সবাইকে দেখে হকচকিয়ে জানতে চায় কি হয়েছে ওর সবাই এখানে কেন? অনেক চেষ্টা করে ও সে কিছুই মনে করতে পারে না। রাত শেষে ভোর হলে যে যার মতো চলে যায়। নবনী ফ্রেশ হতে ওয়াশরুমে ঢুকতেই নবনীর মুখে ঐ হাতটি পরশ ভুলিয়ে দেয়। নবনী থরথর করে কাঁপতে থাকে। পানির কল ছেড়ে দিলে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়তে থাকে। ও আবার জ্ঞান হারায়। এভাবে নবনী কোন কাজ করতে গেলেই বিপত্তি বাধে। ওর লেখাপড়া শিকেয় উঠলো।

    নবীনদের বাড়ির পিছনে একটি তেঁতুলগাছ ছিল। গাছটিতে ছোট ছোট ফুল আসলেও তেঁতুল ধরতে কেউ কখনো দেখেনি। গত পনের দিন আগে ওর দাদা লোক ডেকে গাছটি বিক্রি করে দিলে কাঠুরিয়া দিয়ে ওরা কেটে নিয়ে যায়। গাছটি কাটার সময় কাঠুরিয়ার ছেলে গাছের নিচে পড়ে গেলে পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়।

    নবনীর এ অবস্থা দেখে ওর মা চিন্তিত হয়ে গ্রামের ছোট হুজুরকে ডেকে আনে। ছোট হুজুর বাড়িতে পা দিতেই নবনী রুদ্র মূর্তি ধারণ করে। একটি লাঠি নিয়ে ছোট হুজুরের মাথায় বাড়ি দিতেই হুজুর ভৌঁ দৌড় দেয়। এবার মাকে টেনেহিঁচড়ে এনে নাকি সুরে বলে ঐ বুড়ি আমার গায়ে আগুন দিবার চাস! তরে কাঁচা খামু।

    এবার সবার মনে ভয় ঢুকে যায়।

    নবনীর চোখ দুটো টকটকে লাল হয়ে গেছে। যেন চোখ দিয়ে রক্ত পড়ছে। ভাঙচুর করছে। ওর ভাই এসে হাত দুটো পিছমোড়া করে বেঁধে দিল। এবার ও বিলাপ জুড়ে দিল।

    সারা গাঁয়ে ঢি ঢি পড়ে গেলে নবনী পাগল হয়ে গেছে। এর মধ্যে হঠাৎ ওদের বাড়িতে এক জটাধারী লোক আসে। হাতে তেল চিটচিটে এক কালো লাঠি। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। লোকটা এসে সোজা নবীনদের ঘরের সামনে গিয়ে ঠকঠক করে দরজায় টোকা দিতে থাকে। নবনী দৌড়ে এসে লোকটার পায়ে পড়ে বলে আমায় মেরো না, আমি চলে যাবো। ওরা আমার ঘর ভেঙেছে, বাবুকে মেরেছেÑএ বলে কাঁদতে কাঁদতে হেচকি তুলে ফেলে। জটাধারী নবনীর মাথায় পরম মমতায় হাত রাখতেই কুন্ডলী পাকিয়ে ধোঁয়া বের হয়।

    Previous Articleসেই একজন : কাশফিয়া নাহিয়ান
    Next Article কেউ কারো নেই : শহিদুল ইসলাম খোকন

    এ বিষয়ে আরও লেখা

    স্যাংশন : অহেদুজ্জামান

    নীল শার্ট : এহছানুল মালিকী

    একটি পেয়ারা গাছের কথা : পবিত্র সরকার

    ফেরা : মাহমুদ শরীফ

    এক টুকরো কাগজ ও দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি : সৈয়দ জুনায়েদ

    একদা পাত্রীর বাবা বেবিট্যাক্সির মালিক ছিল : রফিকুল ইসলাম সাগর

    অসমাপ্ত প্রেম চিঠি : মো. ইমরান খান

    যে গল্প কবিতার মতো বেদনার : শফিক মুন্সি

    নির্জন দ্বীপে কিশোর দল : সাগর আহমেদ

    জীবনের কিছু কথা : ইসরাত রুবাইয়া

    শরীরীয় প্রেতাত্মার কথকতা : কুসুম আক্তার নেকিজা

    কেউ কারো নেই : শহিদুল ইসলাম খোকন

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    বেওয়ারিশ সম্পর্ক : বিপ্লব হোসেন

    সোনা মোড়ানো নুড়ি পাথর : মুসলেহা সুলতানা

    অভিমানী আমি : নাজমুন নাহার লাডলী

    অনুরক্তি : মো. জয়নুল ইসলাম

    তোমাকে পাওয়ার জন্য হে সফলতা : প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

    দান : আফছানা খানম অথৈ

    রোজা : রুমানা আক্তার রত্না

    মানুষ : নিহাদ হোসাইন

    ভাঙা চুড়ি : নয়ন আলী নাঈম

    স্মৃতির সারথি : ইয়াছিন আরাফাত

    আমাদের সম্পর্কে

    সূর্যাক্ষর বাংলাদেশের একটি উদিয়মান প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার বই প্রকাশের পাশাপাশি আমরা লিটলম্যাগ প্রকাশ করি। লিটলম্যাগের ক্ষেত্রে আমাদের দুটি মাধ্যম আছে। একটি অনলাইন পোর্টাল, আরেকটি ছাপা ম্যাগাজিন।

    যোগাযোগ
    • ঠিকানা: ৭৯/২/বি, ৯ নং লেন, কদমতলা, বাসাবো, ঢাকা-১২১৪
    • মোবাইল: ০১৭৩৭৭২৪০৬৯, ০১৭৮২৩৭৯৮৩৭
    • ইমেইল: ‍surjakkhor@gmail.com
    • ফেইসবুক গ্রুপ: www.facebook.com/groups/surjakkhor
    লেখা আহ্বান

    প্রবন্ধ, ছড়া-কবিতা, গল্প, উপন্যাস, সাহিত্য সমালোচনা, অনুবাদ, ভ্রমণকাহিনি, চলমান ইস্যু নিয়ে আলোচনাসহ যেকোনো ধরনের লেখা পাঠানো যাবে। প্রবন্ধ, গল্প ও উপন্যাসের একেকটা পর্ব কমপক্ষে এক হাজার শব্দের হতে হবে। কবিতায় শব্দ সংখ্যার সীমা নেই। তবে কমপক্ষে ১০/১২ লাইনের হলে ভালো হয়, ছোট হলে ছাপানো হবে না, এমনটা নয়। বড় হলেও চলবে। ই-মেইল: surjakkhor@gmail.com

    কপিরাইট সূর্যাক্ষর প্রকাশনী | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.