বাবারা হয় বটবৃক্ষ,
ছায়া দিয়ে যায় অবিরত।
শত বাঁধায়, পড়ে না ভেঙে
চলে তারা স্রোতের মতো বয়ে!
বাবারা ক্লান্ত হয় না,
নিজের জন্য কোন স্বপ্ন দেখে না।
যতসব ভাবনা পরিবার ঘিরে,
দিনশেষে প্রিয়জনের খুশি নিয়ে ঘরে ফেরে।
বাবাদের পোশাক হয় রঙচটা পুরানো
জুতো জোড়া থাকে না পরিপাটি কিংবা সাজানো।
বাবারা কখনো দুঃখ করেন না,
স্বপ্নচাহরেও নিজের জন্য কিছু চাহেনা।
সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে,
বাবারা ঘাম ঝরান দিনেরাতে।
দিনশেষে সন্তানের পাশে বসে,
আদর আবদার মিটায় শেষে।
বাবারা নিজের শরীরের নেয় না খেয়াল,
হাসিমুখে বয়ে যায়, সংসারের জোয়াল!
বাবাদের একান্ত কিছু নেই,
যা আছে সব পরিবারের জন্যেই।
বাবারা খাবার টেবিলে খাই ডাল আর শুকনো রুটি,
ডিম আর সবজিটা সন্তানের জন্য রাখে, নেই এ কাজে ত্রুটি।
দিনশেষে রাতের খাবারে, ভালো মাছটা দেয় সন্তানের পাতে তুলে,
বাবারা অল্পতেই তুষ্ট হয়, সবকিছু ভুলে।
বাবারা নিজের বেলায় হয় ভীষণ কিপ্টে,
বাবারা চলে পাবলিক বাসে কিংবা হেঁটে।
বাবারা ভালোবাসতে জানে নিঃস্বার্থে,
বাবারা অভিনয় খুব জানে, নিজের কষ্ট লুকাতে।
বাবারা সারাজীবন করে পরিবারের জন্য দান,
তবুও পায় না তারা পরিপূর্ণ সম্মান।
বয়সের ভার যখন ফোটে তাদের চিত্রকর্মে,
তারা হয় কপাল পোড়া, জোটে স্থান বৃদ্ধাশ্রমে।

