Close Menu
সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    Facebook X (Twitter) Instagram
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    • প্রবন্ধ
    • উপন্যাস
    • গল্প
    • কবিতা ও ছড়া
    • সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণ
    • বই
    • প্রিন্ট ভার্সন
    0 Shopping Cart
    সূর্যাক্ষরসূর্যাক্ষর
    0 Shopping Cart
    Home » মাটির ঢেলা ও অগ্নি : মো. জাকের হায়াত খান

    মাটির ঢেলা ও অগ্নি : মো. জাকের হায়াত খান

    0
    By সূর্যাক্ষর অ্যাডমিন on May 31, 2024 গল্প
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    একতাল মাটি পড়ে ছিল প্রান্তরে। প্রথম ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। কোমল মৃত্তিকা দেখে তার মনে এক অসাধারণ স্বপ্নের সঞ্চার হলো। তিনি ঠিক করলেন এই তাল তাল মাটিকে তিনি একটি দৃঢ়চিত্ত মানবের রূপ দেবেন। সে প্রান্তরের দক্ষিণ কোণে বসে একটু একটু করে তাল তাল মাটিকে মানবরূপে গড়ে তুলতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে তাল তাল স্তূপাকৃত মৃত্তিকা মানবে পরিণত হচ্ছিলো। ঠিক এমন সময় ভাস্করের মনে পড়লো তার তো একটি সভায় যাবার কথা। তিনি নিজেকে কটূক্তি করলেন এবং ভাবলেন অনর্থক সময় আর নষ্ট করা যাবে না। এখনই নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা করতে হবে। প্রথম ভাস্করের প্রস্থান ঘটলো। মাটির ঢেলা অর্ধ মানব রূপে প্রান্তরে পরে রইলো।

    কিছুকাল পরে দৃশ্যপটে দ্বিতীয় ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। অর্ধ মানব কোমল মৃত্তিকা দেখে তার মনে এক অসাধারণ স্বপ্ন আসলো। তিনি ঠিক করলেন এই তাল তাল মাটিকে তিনি একটি দেবদূতে রূপ দেবেন। তিনি প্রান্তরের দক্ষিণ কোণে বসে মানবাকৃতির মাটির ঢেলায় পাখা বসাতে শুরু করলেন। ঠিক এমন সময় ভাস্করের মনে পড়লো গৃহে তার শিশুটি একা। তিনি আপন অস্থিরতায় প্রস্থান করলেন। প্রস্থানের সময় তার হাত থেকে পড়ে যাওয়া মাটির ঢেলার একটি পাখা ভেঙে গেলো। মাটির ঢেলা অর্ধ মানব অর্ধ দেবদূত রূপেই প্রান্তরে পরে রইলো।

    কিছুকাল পর দৃশ্যপটে তৃতীয় ভাস্করের প্রবেশ ঘটলো। পড়ে থাকা মাটির মূর্তি দেখে তিনি চিন্তায় নিমগ্ন হলেন। এই অর্ধ মানব অর্ধ দেবদূতরূপী মাটির পুতুল দেখে তার মনে প্রশ্নের উদ্রেক ঘটলো। তিনি ভেবে বসলেন হয়তো বা এর স্রষ্টা একে স্বর্গচ্যুত অপরাধী দেবদূত রূপে সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, যা কোন কারণে অর্ধমানব অর্ধ দেবদূতরূপী কোমল মৃত্তিকার ঢেলাটিকে ধীরে ধীরে পাশবিক উদ্ধত স্বর্গচ্যুত মূর্তিতে পরিবর্তিত করতে শুরু করলেন। কাজ প্রায় শেষের দিকে এমন সময় প্রান্তরের পূর্ব পাশে অবস্থিত উপাসনালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীতে মুগ্ধ হয়ে ভাস্কর অর্ধ মানব অর্ধ দেবদূত অর্ধ শয়তানরূপী মাটির ঢেলাকে ছুড়ে ফেলে উপাসনালয়ের দিকে যাত্রা করলেন।

    ধীরে ধীরে বিকেল গড়িয়ে এলো। প্রান্তরের সবুজ ঘাসে মাটির মূর্তি পরেই ছিল নিমগ্ন নির্জনে। একদল দুরন্ত বালক হঠাৎ করে তাকে আবিষ্কার করলো। তারা তাদের মতো মাটির ঢেলা নিয়ে খেলতে শুরু করলো। তারা মাটির ঢেলার বিভিন্ন অংশে আঘাত করে তাকে আরো কিম্ভুতকিমাকার করে তুললো। একসময় তারা মাটির ঢেলার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেললো এবং প্রান্তরের দক্ষিণ কোণে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করে নিজেদের মতো যে যার ঘরে চলে গেল।

    কোমল মাটি অগ্নির বন্ধনে দৃঢ় আবদ্ধ হয়ে পুড়তে পুড়তে শক্ত ও কালো হয়ে উঠলো। সেই কোমল মৃত্তিকা পুড়ে পুড়ে খাঁক এক অদ্ভুত মূর্তির আকার লাভ করলো এবং বন্ধু হিসেবে অগ্নিকেই বেছে নিলো।

    Previous Articleবৈজ্ঞানিক যাত্রা : মারিয়া আহমেদ ফাতেমা
    Next Article প্যালেস অফ সিঙ্গিং ঘোস্ট : আফসানা নীতু

    এ বিষয়ে আরও লেখা

    স্যাংশন : অহেদুজ্জামান

    নীল শার্ট : এহছানুল মালিকী

    একটি পেয়ারা গাছের কথা : পবিত্র সরকার

    ফেরা : মাহমুদ শরীফ

    এক টুকরো কাগজ ও দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি : সৈয়দ জুনায়েদ

    একদা পাত্রীর বাবা বেবিট্যাক্সির মালিক ছিল : রফিকুল ইসলাম সাগর

    অসমাপ্ত প্রেম চিঠি : মো. ইমরান খান

    যে গল্প কবিতার মতো বেদনার : শফিক মুন্সি

    নির্জন দ্বীপে কিশোর দল : সাগর আহমেদ

    জীবনের কিছু কথা : ইসরাত রুবাইয়া

    শরীরীয় প্রেতাত্মার কথকতা : কুসুম আক্তার নেকিজা

    কেউ কারো নেই : শহিদুল ইসলাম খোকন

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক লেখা

    অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে : সেলিনা হোসেন (সাক্ষাৎকার)

    আমার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কথা : দেবেশ চন্দ্র সান্যাল (স্মৃতিচারণ)

    অদম্য কিশোর : শিবুকান্তি দাশ

    ছদ্মবেশী : শারমিন প্রিয়া

    অধিকার : অমল বিশ্বাস

    খোকন সোনা : মুহাম্মদ নূর ইসলাম

    ভুলে যেতে : মো. আমজাদ হোসেন

    বাহাদুরি : বিজন বেপারী

    চিরচেনা নাট্যমন্দির রোড! : আজমির রহমান রিশাদ

    মুখ মুখোশের আড়ালে : মুহিতুল ইসলাম মুন্না

    বেওয়ারিশ সম্পর্ক : বিপ্লব হোসেন

    সোনা মোড়ানো নুড়ি পাথর : মুসলেহা সুলতানা

    অভিমানী আমি : নাজমুন নাহার লাডলী

    অনুরক্তি : মো. জয়নুল ইসলাম

    তোমাকে পাওয়ার জন্য হে সফলতা : প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

    দান : আফছানা খানম অথৈ

    রোজা : রুমানা আক্তার রত্না

    মানুষ : নিহাদ হোসাইন

    ভাঙা চুড়ি : নয়ন আলী নাঈম

    স্মৃতির সারথি : ইয়াছিন আরাফাত

    আমাদের সম্পর্কে

    সূর্যাক্ষর বাংলাদেশের একটি উদিয়মান প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার বই প্রকাশের পাশাপাশি আমরা লিটলম্যাগ প্রকাশ করি। লিটলম্যাগের ক্ষেত্রে আমাদের দুটি মাধ্যম আছে। একটি অনলাইন পোর্টাল, আরেকটি ছাপা ম্যাগাজিন।

    যোগাযোগ
    • ঠিকানা: ৭৯/২/বি, ৯ নং লেন, কদমতলা, বাসাবো, ঢাকা-১২১৪
    • মোবাইল: ০১৭৩৭৭২৪০৬৯, ০১৭৮২৩৭৯৮৩৭
    • ইমেইল: ‍surjakkhor@gmail.com
    • ফেইসবুক গ্রুপ: www.facebook.com/groups/surjakkhor
    লেখা আহ্বান

    প্রবন্ধ, ছড়া-কবিতা, গল্প, উপন্যাস, সাহিত্য সমালোচনা, অনুবাদ, ভ্রমণকাহিনি, চলমান ইস্যু নিয়ে আলোচনাসহ যেকোনো ধরনের লেখা পাঠানো যাবে। প্রবন্ধ, গল্প ও উপন্যাসের একেকটা পর্ব কমপক্ষে এক হাজার শব্দের হতে হবে। কবিতায় শব্দ সংখ্যার সীমা নেই। তবে কমপক্ষে ১০/১২ লাইনের হলে ভালো হয়, ছোট হলে ছাপানো হবে না, এমনটা নয়। বড় হলেও চলবে। ই-মেইল: surjakkhor@gmail.com

    কপিরাইট সূর্যাক্ষর প্রকাশনী | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.